সরকারের আচরণ অ’ত্যন্ত অমানবিক ও দুঃখজনক: চরমোনাই পীর

আলেম-ওলামা'দের ঢালাওভাবে গ্রে'’ফতার ও হয়’রানির কারণে লকডাউন প্রশ্নবি'দ্ধ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইস’লামী আ’ন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্ম’দ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই। আজ রবিবার এক বিবৃতিতে একথা বলেন তিনি।

বিবৃতিতে চরমোনাই পীর বলেন, দেশের নিরীহ নিরাপ'রাধ আলেম ওলামা'দের গ্রে'’ফতার ও হয়’রানির কারণে সরকারের চলমান লকডাউন কঠোরভাবে সমালোচিত হয়েছে। যে মুহূর্তে মহমা’রি প্রকট আকার ধারণ করছে, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরম দুর্বি'ষহ হয়ে উঠছে। সর্বত্র মানুষ আতঙ্কিত। এহে'ন পরিস্থিতিতে আলেম ওলামা'দের অযথা হয়’রানি নি’র্যাতন কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

তিনি বলেন, দেশে মা'দরাসা শিক্ষকসহ আলেম-ওলামা'দের গণহারে গ্রে'’ফতারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর ভাষা নেই। পবিত্র রমজানের শুরুতেই দেশের আলেম-ওলামা ও মা'দরাসা শিক্ষকদের সরকার গণহারে গ্রে'’ফতার করছে ও রি’মান্ডে নিয়ে নি’র্যাতন চালাচ্ছে। সরকারের এই আচরণ অ’ত্যন্ত অমান'বিক ও দুঃখজনক।

ইস’লামী আ’ন্দোলনের আমির আরও বলেন, গত কয়েক দিনে সারাদেশে শত শত নিরীহ আলেম-ওলামা, মা'দরাসা শিক্ষক ও ছাত্র গ্রে'’ফতার করা হয়েছে। যে কোনো ইস’লামবিরোধী ইস্যুতে ধ’র্মীয় দৃ'ষ্টিকোণ থেকে প্রতিবাদ করা দেশের আলেম-ওলামা’র নৈতিক দায়িত্ব। তাদের এই নৈতিক দায়িত্ব পালনে বাধা দান ও তাদের গ্রে'’ফতার মেনে নেয়া যায় না।

তিনি আলেম ও মা'দরাসা শিক্ষকদের অবিলম্বে গ্রে'’ফতার ও হয়’রানি বন্ধের দাবি জানিয়ে গ্রে'’ফতারকৃতদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান।

পীর সাহেব বলেন, দেশের কোন শ্রেণি ও পেশার মানুষই আজ নিরাপ'দ নয়। বাঁশখালীতে বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং পবিত্র রমজানের ইফতার, সাহরি ও তারাবিহ ঠিক রেখে কর্মঘণ্টা নির্ধারণের দাবিতে আ’ন্দোলন করছিলেন শ্রমিকরা। কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে আ’ন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর পু’লিশের গু'’লি চালাতে হলো তা খতিয়ে দেখতে হবে। পবিত্র রমজানে এমন 'হতা'হতের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।

পীর সাহেব বলেন, চরমোনাই নি’'হতদের আত্মা’র মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্ত'প্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। সং’ঘর্ষের ঘটনায় নি’'হত ও আ’'হতদের যৌ'ক্তিক ক্ষ'তিপূরণ দিতে হবে। এছাড়া আ’'হতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

Facebook Comments
Back to top button