অটুট থাকুক বন্ধুত্বের বন্ধন

দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ছিল মীর হোসেন সওদাগর (৬৮) ও সুধীর বাবুর (৭০)। মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে মা’রা যান মীর হোসেন।
বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে তার জানাজা হয়। জানাজা চলাকালীন সুধীর সবার পেছনে গাছের গুঁড়িতে বসে কাঁদছেন। জানাজায় অংশগ্রহণ করতে না পারলেও বন্ধুর প্রতি এমন অকৃত্রিম দরদ সবার হৃদয়কে স্প’র্শ করে।

মুহূর্তের মধ্যে বন্ধু মীরের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শনের এ ছবি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। এতে সারাদেশে তোলপাড় সৃ'ষ্টি হয়। সত্যিকারের বন্ধুত্বের বন্ধন কত শক্তিশালী হতে পারে তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে কুমিল্লাসহ দেশজুড়ে।

জানা যায়, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজে’লার গুণবতী বাজারের ব্যবসায়ী মীর হোসেন সওদাগর ও সুধীর বাবু ছে’লেবেলার বন্ধু। মীর হোসেন সওদাগর গুণবতী বাজারে বেশ কয়েকবছর ধরে মুদি ব্যবসা করতেন। সুধীর বাবুও ব্যবসা করতেন গুণবতী বাজারে। সে কারণে তারা থাকতেন একে অ’পরের কাছাকাছি।

গুণবতী বাজারের ব্যবসায়ী রিপন জানান, মীর হোসেন বাজারে মুদি ব্যবসা করতেন। বুধবার সকালে গুণবতীতে তার বাড়ির কাছেই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তিনি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। মীর হোসেন খুব ভালো মানুষ হওয়ায় তাকে শ্র'দ্ধা করতেন এলাকার মানুষ।

জানা যায়, তার চার ছে’লে ও এক মেয়ে রয়েছে। ফেসবুকে নেটাগরিকরা লেখেন, ‘আজ সেই বন্ধুর মৃ'’ত্যুর পর সুধীর বাবু জানাজার পেছনে উপস্থিত হয়ে অশ্রু ঝরাচ্ছেন। সত্যিকারের বন্ধুত্ব আসলেই এমন হয়। যে বন্ধুত্ব জাত দেখে না, ধ’র্ম দেখে না, ধনী-গরিবের ভেদাভেদ চিনে না।

Back to top button