ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার কারণেই আল্লাহ আমার জীবনে সফলতা এনে দিয়েছে: মোহাম্মদ ইউসুফ

ইতিহাসে পা’কি'স্তানের প্রথম অমু’সলিম অধিনায়ক ছিলেন ইউসুফ ইউহানা। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে ইস’লাম ধ’র্ম গ্রহণ করেন তিনি। নাম পরিবর্তন করে রাখেন মোহাম্ম’দ ইউসুফ। সে সঙ্গে স্ত্রী তানিয়ার নাম পরিবর্তন করে রাখেন ফাতিমা। ২০০৫ সালে ইস’লাম ধ’র্ম গ্রহণ করে আল্লাহর কাছ থেকে বিশেষ উপহার পেয়েছেন বলে মনে করেন মোহাম্ম’দ ইউসুফ। তার মতে ইস’লাম ধ’র্ম গ্রহণের কারণেই ২০০৬ সালে টেস্ট ক্রিকে’টে ১৭৮৮ রান করতে পেরেছেন। আর তার এই অর্জনটি এখনো পর্যন্ত এক বছরের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইস’লাম ধ’র্ম গ্রহণের পেছনের ঘটনা শুনিয়েছেন মোহাম্ম’দ ইউসুফ। বলেন, ‘ইস’লাম গ্রহণের ক্ষেত্রে কেউ আমাকে জো’র করেনি। এখানে সত্যটা হলো, আমি সাঈদ আনোয়ারের খুব কাছের বন্ধু ছিলাম। মাঠ এবং মাঠের বাইরে আমা'দের দারুণ বন্ধুত্ব ছিল এবং কি’শোর বয়স থেকেই আম’রা একসঙ্গে অনেক ম্যাচ খেলেছি। আমি সাঈদের সঙ্গে এত সময় কাটিয়েছি যে ওর বাবা-মা আমাকে তাদেরই ছে’লে মনে করত।’

তিনি বলেন, ‘আমি যখন ওদের বাড়িতে যেতাম, দেখতে পেতাম তারা কী’ সুন্দর শান্তিপূর্ণ এবং শৃঙ্খলার মধ্যে জীবন কা’টাচ্ছে। এটা আমাকে সত্যিই ভাবিয়েছে। সাঈফ আনোয়ার ধ’র্মপ্রা’ণ হওয়ার আগে থেকেই আমি ওকে দেখছি। তারপর ওর মেয়ের মৃ'’ত্যুর পর ও পুরোপুরি ধ’র্মের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। যা আমা’র জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা ছিল এবং এটাই আমা’র ধ’র্মান্তরিত হওয়ার কারণ।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০০৬ সালে আমি অনুশীলন বা ট্রেনিংয়ে বিশেষ কিছু করিনি। ২০০৫ সালের শেষদিকে আমি মু’সলিম হয়ে যাই এবং প্রথমবারের মতো নামাজ আদায় করি। এরপর আমি দাঁড়ি রাখা শুরু করি এবং নিজের মধ্যে অন্যরকম শান্তি অনুভব করি। যা আমা’র রাস্তায় আসা সকল চ্যালেঞ্জ জিততে অনুপ্রা’ণিত করে।’

এ সময় তিনি বলেন, ‘আমা’র কাছে সবসময় মনে হয়েছে, ২০০৬ সালের অ'সাধারণ পারফরম্যান্স আল্লাহ্‌র কাছ থেকে বিশেষ উপহার ছিল, ইস’লাম ধ’র্ম গ্রহণ করায়। আমি কখনও স্বপ্নেও ভাবিনি স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডসের বছরের পর বছর ধরে টিকে থাকা রেকর্ডটি ভাঙতে পারব।’

Facebook Comments
Back to top button