‘বসুন্ধ’রার এমডির সাথে মুনিয়ার দুই বছরের স’ম্পর্ক, পার্টির ছবি ফেসবুকে আপলোড করায় মনোমালিন্য’

রাজধানীর গু'লশানে মোসারাত জাহান (মুনিয়া) নামে এক তরুণীকে অ’পমৃ'’ত্যুর প্র’রোচনার অ’ভিযোগে বসুন্ধ’রা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে দায়ী করে মা’ম'লা দায়ের করেছেন ঐ তরুণীর বোন নুসরাত জাহান। সায়েম সোবহান আনভীর বসুন্ধ’রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের ছে’লে।

রাজধানীর গু'লশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর দে'হ উ’'দ্ধারের পর মুনিয়ার বড় বোন সোমবার গভীর রাতে এই মা’ম'লা করেন।

গু'লশান জোনের উপকমিশনার সুদীপ কুমা’র চক্রবর্তী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মৃ'’ত তরুণীর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার কোতোয়ালি থা’নার মনোহরপুরের উজীর দীঘির পাড়ে৷ সে রাজধানীর একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছা’ত্রী ছিলেন। তার বাবা বীর মুক্তিযো'দ্ধা শফিকুর রহমান।

উপকমিশনার সুদীপ কুমা’র চক্রবর্তী সাংবাদিকদের জানান, সোমবার সন্ধ্যার দিকে গু'লশান ২ নম্বরের ১২০ নম্বর সড়কের ফ্ল্যাট থেকে ওই তরুণীর ফ্যা'নের সঙ্গে দে'হ উ’'দ্ধার করা হয়। ম’রদে'হ ময়নাত’দন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ম’র্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে পু’লিশের অ’প’রাধ ত’দন্ত বিভাগ।’

মা’ম'লার বরাত দিয়ে উপকমিশনার বলেন, ‘মেয়েটির সঙ্গে বসুন্ধ’রা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের স’ম্পর্ক দুই বছরের। আনভীর এক বছর মেয়েটিকে বনানীর ফ্লাটে রাখেন। পরে আনভীরের সঙ্গে মনোমালিন্য হলে তিনি কুমিল্লায় চলে যান। তবে মা’র্চ মাসে ঢাকায় এসে গু'লশানের ওই ফ্লাটে থাকা শুরু করেন।’

তিনি বলেন, ‘২৩ এপ্রিল একটি ইফতার পার্টি হয় ওই বাসায়। ওই পার্টির ছবি ফেসবুকে আপলোড করা হলে মেয়েটির সঙ্গে আনভীরের মনোমালিন্য হয়। পরে মেয়েটি তার বোনকে ফোন করে জানান, যে কোনো মুহূর্তে তার যে কোনো ঘটনা ঘটতে পারে।’

এই ফোনের পর কুমিল্লায় থেকে সোমবার 'বিকেলে ঢাকায় আসেন ওই তরুণীর বোন। তবে গু'লশানের ফ্লাটটির দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পান তিনি। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে শোবার ঘরে তরুণী ম’রদে'হ দেখতে পান।

উপকমিশনার সুদীপ বলেন, ‘সাক্ষ্য প্রমাণ হাতে আসলে বসুন্ধ’রা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরের বি’রু'দ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

গু'রুত্ব বিবেচেনায় গু'লশান থা’নার ভা’রপ্রা'প্ত কর্মক’র্তা মা’ম'লার ত’দন্ত করছেন জানিয়ে উপকমিশনার বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে মা’ম'লার ত’দন্তে গু'রুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে উপকমিশনার বলেন, ‘চুক্তিপত্র অনুযায়ী ওই ফ্লাটের মাসিকভাড়া ১ লাখ টাকা। এবং অগ্রিম দেয়া হয়েছে দুই লাখ টাকা। এরই মধ্যে দুই মাসের ভাড়া পরিশোধ করা হয়েছে।’

Facebook Comments
Back to top button