আগাম প্রস্তুতি হিসাবে ঢাকায় খুঁড়ে রাখা হচ্ছে সারি সারি কবর

করো’’নার দ্বিতীয় ঢেউয়ে রায়েরবাজার কবরস্থানে লা’শ দা'ফন বেড়েছে কয়েকগুণ। করো’’নায় আ’ক্রা'ন্ত মৃ'’ত ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত ৮ নম্বর ব্লকে গিয়ে দেখা যায়, একপাশেই খুঁড়ে রাখা হয়েছে অন্তত ২৫টি কবর। এ নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য বি'ষয়ক সংবাদমাধ্যম ডক্টর টিভি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, করো’’না আ’ক্রা'ন্ত মৃ'’তদেহের চাপ বাড়ায় গোরখোদকরা কোদাল দিয়ে কবর খুঁড়ে শেষ করতে না পেরে এক্সকাভেটর দিয়ে আগেই কবর খুঁড়ে রাখছে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, দিনে এ কবরস্থানটিতে গড়ে করো’’নায় মৃ'’ত ৮ থেকে ১০ টি লা’শ দা'ফন করা হচ্ছে।

গত বছরের ২৭ এপ্রিল থেকে রায়েরবাজার কবরস্থানে করো’’নায় মৃ'’তদের দা'ফন শুরু হয়। সেই থেকে এ পর্যন্ত প্রায় এক বছরে দা'ফন করা হয়েছে ১ হাজার ১১৭ জনকে।

গোরখোদকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত শীতেও করো’’নায় মৃ'’তদেহ কম আসছিলো। করো’’নায় মৃ'’তদেহ বাড়ায় কাজের চাপও বেড়েছে।

দীর্ঘদিন গোরখোদকের কাজ করা সিরাজ বলেন জানান, এতো লা’শ আসছে কথা বলার সময় নাই। কোদাল দিয়ে কবর খুঁড়ে কুল পাচ্ছিলাম না। ভেকু (এক্সকাভেটর) দিয়ে খোঁড়ায় আমা'দের ক’'ষ্ট কমেছে।

কবরস্থান সূত্রে জানা যায়, রায়েরবাজার কবরস্থানে গোরখোদক আছেন ২৮ জন। তারা প্রতিদিন ২টি ধাপে দায়িত্ব পালন করছেন। একদল সকাল ৬টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত। আরেকদল দুপুর ২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত। কাজরে চাপ বাড়ায় মধ্যরাত পর্যন্তও কাজ করতে হচ্ছে বলেও জানায় তারা।

Facebook Comments
Back to top button