পু’লিশ-যুবক হাতাহাতির ঘটনায় পু’লিশ সদস্য ক্লোজড

পুলিশ রা'ষ্ট্রের অ’পরিহার্য একটি অঙ্গ। জনগণের জানমালের নিরাপ'ত্তা বিধান তাদের দায়িত্বে। তাই প্র'ত্যাশা সংগত যে তারা দু'ষ্টের দমন আর শি'ষ্টের পালনকে মূলনীতি হিসেবে অনুসরণ করবে।
নতুন খবর হচ্ছে, ফেনীতে পুলিশ-যুবক হাতাহাতির ঘটনায় পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) যশমন্ত মজুম’দারকে ক্লোজড করা হয়েছে।

রিকশায় বসে থাকা এক যাত্রীর সঙ্গে কথা বলছেন একাধিক পুলিশ সদস্য। চলমান লকডাউনে মাস্ক পরা ও বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে চলাচল করতে বাধা দিচ্ছিলেন তারা। এ সময় ওই যাত্রীর সঙ্গে কথা কা’টাকাটি হয় এবং তাকে রিকশা থেকে নামতে বলেন পুলিশ সদস্যরা। একপর্যায়ে রিকশায় থাকা ওই ব্যক্তি উচ্চস্বরে দায়িত্বরত পুলিশদের উদ্দেশে বলে ওঠেন, ‘এই দেশে পুলিশের অনেক ক্ষ'মতা, না!’

এ সময় এক পুলিশ সদস্য তাকে জো’র করে রিকশা থেকে নামাতে চাইলে তাদের মধ্যে ধস্তা'ধস্তি শুরু হয়। রিকশা থেকে নামিয়ে ফেলা ওই ব্যক্তি বলতে থাকেন, তুই অন্য রিকশা ছাড়ছিস, আমা’রটা ধরলি ক্যান? একাধারে তিনি পুলিশদের গালাগা'লি করতে থাকেন।

ওই ব্যক্তি আরও আ'ক্রমণাত্মক হয়ে উঠলে পুলিশ সদস্যরা তাকে আ’ঘা'ত করেন। এ সময় ওই ব্যক্তিও পুলিশদের পাল্টা আ’ঘা'ত করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় একপর্যায়ে একাধিক পুলিশ সদস্য তাকে জা’পটে ধরে এবং হ্যান্ডকাফ পরানোর চে'ষ্টা করেন।

ঘটনাস্থলে উচ্ছুক জনতার ভিড় জমতে শুরু করলে ওই ব্যক্তি সবার উদ্দেশে বলেন, ম’সজিদে কোরআন পড়তে যাচ্ছিলাম, বলছি আমাকে ছেড়ে দেন। এ সময় ওই হ্যান্ডকাফ পরতে অ'স্বীকৃতি জানান এবং গালাগা'লিসহ এলোপাথাড়ি হাত-পা ছুড়তে থাকেন। একই সময় তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশে চি’ৎকার করে ভিডিও করতে বলেন।

পরে একপর্যায়ে ৪-৫ জন পুলিশ সদস্য তাকে হ্যান্ডকাফ পরানোর জন্য জো’রপূর্বক মাটিতে ফেলে চাপ প্রয়োগ করেন। তারা চি’ৎকার করে বলতে থাকেন, হ্যান্ডকাফ লাগা, ধর। এ সময় উপস্থিত জনতার তোপের মুখে তারা আবার ওই ব্যক্তিকে ধরে উঠান এবং হ্যান্ডকাফ পরান। এ সময় ওই ব্যক্তি এটা আওয়ামী লীগের দেশ বলে চি’ৎকার করতে থাকেন। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

পুলিশের সঙ্গে মা’রামা’রিতে লি'প্ত হওয়া ওই যুবকের নাম শহিদ। তিনি ফেনী সদর উপজে’লার মোটবী ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং যুবলীগের সক্রিয় কর্মী। এ ঘটনায় আ’ট’ক করে তাকে হাজতে রাখা হয়। পরে তার স্বজনদের ডেকে আনলে তারা তার মানসিক সমস্যার কথা জানান। পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।
জে’লা পুলিশের অ’তিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল ইস’লাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ওই যুবক মানসিকভাবে অ’সুস্থ।

Facebook Comments
Back to top button