চাকরি দেয়ার নামে টাকা আ’ত্মসাতের অ’ভিযোগ, ভিডিও ভা’ইরাল

ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে ১৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অ’ভিযোগ উঠেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মর'’ত ৩ কর্মক’র্তা-কর্মচারীর বিরু’'দ্ধে। এ বি’ষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর ভুক্তভোগীর করা লিখিত অ’ভিযোগপত্রের কপি এবং টাকা লেনদেনের ৭ মিনিট ৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে এসেছে।

এতে দেখা যায়, রংপুর নগরীর একটি অ’ভিজাত হোটেলে সংশ্লি’'ষ্টরা টাকা লেনদেন করছেন। তবে ভিডিওটি কবে ধারণা করা সে বি’ষয়ে জানা যায়নি।

অ’ভিযুক্ত ৩ ব্যক্তি হলেন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সেকশন অফিসার মনিরুজ্জামান পলা’শ, ব’ঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের কম্পিউটার অ’পারেটর শেরেজামান সম্রাট এবং মাস্টাররোল কর্মচারী গু'’লশান আহমেদ শাওন।

অ’ভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, রংপুরের মিঠাপুকুরের বাসি’ন্দা রুবেল সাদীকে সেকশন অফিসার-০২ পদে চাকরি দেয়ার প্র’লোভন দেখিয়ে ১৬ লাখ টাকার চুক্তি করেন অ’ভিযুক্ত ৩ কর্মক’র্তা-কর্মচারী। সেই চুক্তি অনুযায়ী ৩ ধাপে ১৩ লাখ টাকা প্রদান করেন রুবেল সাদী। বাকি টাকা যোগদানের সময় পরিশোধ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

কিন্তু টাকা নেয়ার পর চাকরি দিতে টালবাহানা শুরু করেন তিন কর্মক’র্তা-কর্মচারী। এ পর্যায়ে তাদের চাপ প্রয়োগ করলে বাধ্য হয়ে নিয়োগপত্রের একটি ফটোকপি দিয়ে যোগদান করতে বলা হয়। সেই নিয়োগপত্র নিয়ে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করতে গেলে ক’র্তৃপক্ষ তাকে জানায়, এটি ভুয়া নিয়োগপত্র। পরে টাকা ফেরত চাইলে তাকে বিভিন্নভাবে হু’মকি দেয়া হয় বলে অ’ভিযোগ রুবেলের।

এ বি’ষয়ে অ’ভিযুক্ত শেরেজামান সম্রাটের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চে’'ষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি এবং মনিরুজ্জামান পলা’শের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার স’ঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র এবং জাতির পিতা ব’ঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট তাবিউর রহমান প্রধান জানান, সম্রাটের বিরু’'দ্ধে এর আগেও এমন অ’ভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। তখন তাকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। এবার যেহেতু তথ্য প্রমাণসহ অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে তাই বি’ষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments
Back to top button