এই ৫ খাবার আপনার মৃ’ত্যুরও কারণ হতে পারে

আমা'দের আশেপাশেই অতি পরিচিত এমন কিছু খাবার আছে যা খেলে তাৎক্ষণিক ভাবে আপনি মা’রা যেতে পারেন। শুনতে অবাক লাগলেও ব্যাপারটি কিন্তু সত্য। এই খাবারগু'লো খেলে স্বাভাবিকভাবেই আপনি মা’রা যাব'েন। আসুন জেনে নেই খাবারগু'লি কি যাতে করে সেই খাবার গু'লো এ’ড়িয়ে যেতে পারেন–

১. অঙ্কুরিত মটরশুটি: ক্ষ’তিকারক ব্যাক্টেরিয়ার তিন মূর্তি -কোলাই, সলমোনেল্লা ও লিস্টেরিয়া। এই তিনটি উপাদানই উপস্থিত অঙ্কুরিত মটরশুটিতে। ২০১১ সালে জার্মানির একদল গবেষক অঙ্কুরিত মটরশুটির মধ্যে এই তিন ক্ষ’তিকা’রক ব্যাক্টেরিয়ার উপস্থিতি জানতে পারেন। ২০ জনের মৃ'’ত্যুর কারণ হিসেবে তাঁরা চিহ্নিত করেন অঙ্কুরিত মটরশুটিতে থাকা ই-কোলাইকে।

আবার ইন্দোনেশিয়ার মানুষজনের ব’'দ্ধমূল ধারণা, পু’রুষদের শু’ক্রা'’ণুকে মে’রে ফেলে অঙ্কুরিত মটরশুটি। যে কারণে ‘বী’র্যে শু’ক্রা'’ণুর পরিমাণ কমে যায়। যদিও এ বি'ষয়ে বিজ্ঞানসম্মত প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

২. কাঁচা কাজুবাদাম: আমর'া দোকান থেকে যে কাজু কিনি, তা আসলে রোস্টেড। গাছ থেকে পাড়া কাঁচা কাজু ভুলেও খাবেন না। তাতে বি’ষক্রি’য়া’য় মৃ'’ত্যু পর্যন্ত 'হতে পারে। নানা প'দ্ধতির মধ্য দিয়ে কাঁচা কাজুকে খাওয়ার উপযোগী করে নেওয়া হয়। কাজুতে উরুসিয়ল নামে বিশেষ এক ধরনের বি’ষা’ক্ত ট’ক্সি’ন থাকে। যা থেকে ত্বকের নানা মা’রা’ত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্টিম দিয়ে কাঁচা কাজু থেকে সেই বি’ষ দূর করে রো’স্ট করা হয়।

৩. চিনাবাদাম: চিনাবাদামও মৃ'’ত্যুর কারণ 'হতে পারে। যাদের চিনাবাদামে অ্যালার্জি নেই নিশ্চিন্তে খেতে পারেন। তবে, না গিলে ভালো করে চিবিয়ে খাবেন। কিন্তু, অ্যালার্জির ধাত থাকলে, একদমই নয়। ফুড অ্যালার্জির মধ্যে চিনাবাদাম থেকে মৃ'’ত্যু’র ঘটনাই সবচেয়ে বেশি। যদিও, সমীক্ষা বলছে, মোট জনসংখ্যার মাত্র ১ শতাংশের চিনাবাদামে অ্যালার্জি রয়েছে।

৪. চিংড়ি বা কাঁকড়া: বড় বড় চিংড়ি বা কাঁকড়া দেখে লোভ সামলাতে পারেন না মানছি। কিন্তু, নিয়মিত না-খাওয়াই শরীরের জন্য ম’'ঙ্গল। শুধু চিংড়ি-কাঁকড়াই নয়, ঝিনুক-শামুক খাওয়ার সময়েও মাথায় রাখতে হবে। কারণ, মা'র্কারি বি’ষক্রি’য়ার আশ’ঙ্কা থেকে যায়। বিশেষত, যাঁদের অ্যালার্জির ধাত রয়েছে, এ ধরনের ‘শে’লফিশ’ এড়িয়ে যাওয়াই বু'দ্ধিমানের কাজ হবে। নইলে চু’লকা’নি, ফোলা, আমবাতের মতো সমস্যায় ভু’গতে হবে। পে’টেব্য’থাও 'হতে পারে। আর ‘অ্যা’নাফাই’ল্যাকটিক শ’ক’ হলে তো কথাই নেই। দ্রুত চিকিত্‍‌সা না করলে মৃ'’ত্যু পর্যন্ত 'হতে পারে।

৫. কাঁচা দুধ: বিজ্ঞাপণে ভুললেন কি ম’রলেন। বাজারে ছাড়ার আগে পাস্তুরায়ন করা হয়েছে, ঠিক আছে। আপনি দুধের প্যাকেট বাড়িত এনে, নিজের সাবধানতারজন্য না ফুটিয়ে খাবেন না কখনোই। এমনকী গো’য়ালার কাছ থেকে যে দুধ তাজা মনে করে নিচ্ছেন, তাও ভালো করে ফু’টিয়ে নিতে হবে। কারণ দুধের মধ্যে সলমোনেল্লা, ই-কোলাই, লিস্টেরিয়ার মতো মা’রণ ব্যাক্টেরিয়া রয়েছে। উচ্চ তাপমাত্রায় ভালো করে কয়েক বার না ফো’টালে, দুধ থেকে ব্যাক্টেরিয়ার সং’ক্র’মণ হওয়ার ঝুঁ’কি থেকে যায়। সুত্র: এইসময়।

Facebook Comments

Back to top button