ও খাবার না খেয়েই ব্যাট নিয়ে মাঠে চলে যেতোঃ লিটনের বাবা

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স'প্ত ম আসর শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ১৭ অক্টোবর। গত ৯ সেপ্টেম্বর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

এতে প্রথমবারের মতো সুযোগ পেয়েছেন দিনাজপুরের ছেলে লিটন কুমার দাস। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে লিটন দাস খেলার সুযোগ পাওয়ায় আনন্দিত পরিবার ও দিনাজপুরবাসী। সবার প্র'ত্যাশা, বিশ্বকাপে ভালো করবেন লিটন দাস।

এদিকে লিটন দাসের বাবা বাচ্চু দাস বলেন, ‘স্কুল ছুটি হওয়ার পরও বাড়ি ফিরতো না লিটন। বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে খেলতো। দোকান থেকে ফিরে এসে দেখতাম, সে বাড়িতে ফেরেনি। এরপর তাকে মাঠ থেকে নিয়ে আসতাম। অনেক সময় খাবার না খেয়েই ব্যাট নিয়ে মাঠে চলে যেতো। কোনও কিছুর জন্যই খেলা ছাড়তো না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মধ্যবিত্ত মানুষ। সে সময় আর্থিক সমস্যা থাকলেও কখনও কারও কাছে হাত পাতিনি। লিটনের চে'ষ্টা ছিল, আমা'দের ছিল সাপোর্ট। মূলত ওর চে'ষ্টাকে আমরা বড় করে দেখেছি।

আমার বড় ছেলে বাপ্পি তাকে (লিটন) বেশ সহযোগিতা করেছে। সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছেন দিনাজপুর জে'লা ক্রিকেট টিমের কোচ ও প্রচে'ষ্টা ক্রিকেট কোচিং সেন্টারের পরিচালক আবু সামা'দ মিঠু।’

লিটনের বাবা আরও বলেন, ‘আবু সামা'দ মিঠুর ​কাছে লিটন দাসের হাতেখড়ি। এরপর সেখান থেকে সে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ('বিকেএসপি) সুযোগ পায়। 'বিকেএসপির কোচরা তাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন। পরে জাতীয় ক্রিকেট দলে সুযোগ পায়। সে খুব পরিশ্রম করেই এই জায়গা এসেছে। বাংলাদেশ দলের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে লিটন খেলবে, এটাই চাই।’

লিটন দাসের বড় ভাই বাপ্পি দাস বলেন, ‘আমার ভাই দেশের হয়ে খেলছে, এর চেয়ে বড় আনন্দের আর কী হতে পারে? আমা'দের চাওয়া, লিটন ভালো খেলুক, বাংলাদেশ দল ভালো খেলুক।’

লিটন দাসকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছেন আবু সামা'দ মিঠু। তিনি বলেন, লিটন দাস বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছে, এটা আমা'দের জন্য আনন্দ ও গর্বের। আমরা আশা করি এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ভালো করবে, লিটন দাসও ভালো করবে। সে ভালো খেলুক এটা আমার প্র'ত্যাশা।’

Back to top button