তুরস্কের সঙ্গে সমাধান চান গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী

জাতিসং'ঘে কথা বলার সময় গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী পূর্ব ভূমধ্যসাগরে তেল ও গ্যাস ইস্যুতে আঙ্কারা'র সঙ্গে সমাধান চেয়েছেন।তুরস্কের সঙ্গে কূটনৈতিকভাবে সমস্যা মিটিয়ে নিতে চান গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কাইরিয়াকোস মিটসোটাকিস। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যাপারে তিনি বেশ আশাবাদী।

জাতিসং'ঘের সাধারণ অধিবেশনে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে কাইরিয়াকোস বলেন, পানিবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তুরস্ক আগ্রাসন চালিয়ে যাচ্ছে। তার পরেও আমি আশাবাদী।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেপ এরদোগানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আসুন দেখা করি, কথা বলি এবং পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান করি। কূটনৈতিকভাবে সমাধানের সুযোগ দেন।

তিনি আরো বলেন, আমর'া যদি সবকিছুর পরে একমত 'হতে না পারি, সে ক্ষেত্রে হেগ এর আন্তর্জাতিক আ'দালতে যাওয়া যেতে পারে। অ’পর এক খবরে বলা হয়, ছয় বছর আগে কুর্দিপন্থী 'বিক্ষো'ভের জেরে এক মেয়রসহ ৮২ জনের বিরু'দ্ধে গ্রে'ফতারি পরোয়ানা জারি করেছে তুরস্ক ক'র্তৃপক্ষ। স্থানীয় সময় শুক্রবার এ পরোয়ানা জারি করা হয়। মূলত সিরীয় কুর্দি শহর কোবানে আইএস জিহাদিরা দখল করে নেয়ার পর ২০১৪ সালের অক্টোবরে এ 'বিক্ষো'ভ দেখা দেয়।

আঙ্কারা'র প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটরের অফিস থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, তুরস্কের রাজধানী ও অন্য ছয় প্রদেশে পু'লিশ ৮২ জন সন্দে'হভাজনকে গ্রে'ফতারে নেমেছে।

তবে প্রসিকিউটরের অফিস থেকে এ ৮২ জনের বিরু'দ্ধে ঠিক নির্দি'ষ্ট কী অ'ভিযোগ রয়েছে তা জানানো হয়নি।

কিন্তু বলা হয়েছে, ওই 'বিক্ষো'ভের সময় খু'ন, খু'নের চে'ষ্টা, চুরি, সম্পদ ধ্বং'স, অ'গ্নিসংযোগ ও লুটের মতো অ’পরাধ সং'ঘটিত হয়েছে। এছাড়া তুরস্কের পতাকা পু'ড়িয়ে ফেলার পাশাপাশি আ'হত হয়েছিল ৩২৬ জন তুর্কি নিরাপ'ত্তাকর্মী ও ৪৩৫ জন বেসামর'িক মানুষ।

এদিকে এ গ্রে'ফতারি পরোয়ানায় প‚র্বাঞ্চলের শহর কারসের মেয়র আয়হান বিলগেনেরও নাম রয়েছে। বিলগেন ২০১৯ সালে স্থানীয় নির্বাচনে জয়ী হন। তিনি মূলত কুর্দিপন্থী পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির (এইচডিপি) হয়ে এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

আর এইচডিপি তুরস্কের সংসদের দ্বিতীয় বৃ'হত্তম বিরোধী গোষ্ঠী। গত মাসে এইচডিপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দলটির ৬৫ জন মেয়র ফিরে এসেছিলেন। আল-জাজিরা,এএফপি।

Facebook Comments
Back to top button