ফাইভজি রেখে ৬জির পরিকল্পনা চলছে

ফাইভজি ফোরজির ধা'রাবাহিকতা নয়, বরং এটি স্বতন্ত্র একটি শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তি, যাকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বলা হচ্ছে। ভেবেই দে খু'ন না, ফোরজি পর্যন্ত যেখানে এক জিবিপিএস গতি পর্যন্ত পৌঁছানো শুরু হয়নি, সেখানে ফাইভজি প্রযুক্তির ভিত্তিই হচ্ছে ২০ জিবিপিএস গতি বিশ্ব এখন ফাইভজির নতুন সম্ভাবনার সামনে।

নতুন খবর হচ্ছে, পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস সিস্টেম, সং'ক্ষেপে ৫জি উন্নত প্রযুক্তির ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক, যা ২০১৮-এর পরবর্তী সময়ে উন্মুক্ত করা হয়েছে। বিশ্বের সবখানে এখনো চালু হয়নি ৫জি সংযোগ সেবা। এরই মধ্যে ৬জি প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা শুরু করে দিয়েছে কোয়ালকম, অ্যাপল, গুগল ও এলজির মতো বাজারের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো।

৬জি নিয়ে গবেষণা ও পরিকল্পনা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে ৫জির নানা ‘সীমাব'দ্ধতা’। শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো ৬জি ওয়্যারলেস প্রযুক্তিকে চিন্তা করছে এমন একটি সর্বব্যাপী সংযোগ ব্যবস্থা হিসাবে যে নেটওয়ার্ক কাভারেজ আর ব্যান্ডউইথ নিয়ে একদমই ভাবতে হবে না ব্যবহারকারীকে। আর এ লক্ষ্যের ব্যা'প্ত ি এতটাই যে, ৫জি প্রযুক্তি এর আংশিক অর্জন করা শুরু করেছে শুধু। এ প্রসঙ্গে একাধিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্মক'র্তা ও প্রকৌশলী বলেন, ‘৫জি’র মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন যে সেন্সরগুলো সংযোগ পাবে বলে আমরা আশা করছি, সেগুলো ৬জি প্রযুক্তিতে আরও বেশি কর্মক্ষ'মতা পাবে এবং ব্যবহারকারীর জীবন সহজ করতে একে অপ'রের সঙ্গে যোগাযোগের ভিত্তিতে কাজ করবে’।

তবে ৬জি প্রযুক্তি এখনো পরিকল্পনা ও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে; তাই এখনই কেউ ৬জি প্রযুক্তি পণ্য বানিয়ে ফেলার দাবি করলে তাতে কান না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চেং।

Back to top button