ব্রাজিলে বৃদ্ধি পাচ্ছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের হার

ইসলাম একটি একেশ্বরবাদী এবং ইব্রাহিমীয় ধর্মবিশ্বা'স যার মূল শিক্ষা হল, এক আল্লাহ ছাড়া আর কোন স্র'ষ্টা নেই এবং মুহাম্ম'দ হলেন আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ ও চূড়ান্ত নবি ও রাসূল। ইসলামের বিশ্বা'স অনুযায়ী ইসলাম কোন নতুন ধর্ম নয়, বরং সৃ'ষ্টির শুরু থেকেই ইসলামের উৎপত্তি।

নতুন খবর হচ্ছে, ব্রাজিলের ইসলাম গ্রহণের হার বৃ'দ্ধি পাচ্ছে। ব্রাজিলে আনুমানিক প্রায় ১০ হাজার নওমুসলিম বাস করছে। বর্তমানে দেশটিতে ১৫০টির বেশি মসজিদ বিদ্যমান। মূলত লাতিন আমেরিকায় ব্রাজিল ইসলামের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে। গত তিন দশকে ব্রাজিলের সমাজব্যবস্থায় ইসলাম গ্রহণের হার ব্যাপকভাবে বাড়ছে। কেবল মসজিদই নয়, বরং গ্রন্থাগার নির্মাণ, শিল্পকলা স্থাপন, স্কুল নির্মাণ ও সংবাদপত্র প্রকাশসহ বিভিন্ন আর্থসামাজিক কাজে অর্থায়নের মাধ্যমেও মুসলিমরা বড় ভূমিকা পালন করছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযু'দ্ধের পর থেকে আরব ও মুসলিম দেশ থেকে অনেক মুসলিম ব্রাজিলে জী'বিকার তাগিদে পাড়ি জমায়। বিশেষত ফিলিস্তিন, সিরিয়া, লেবাননসহ বিভিন্ন আরব দেশের মুসলিমরা সেখানকার অভিবাসী হয়। ১৯২৬ সালে ব্রাজিলের সাও পাওলো এলাকায় সর্বপ্রথম একটি ইসলামী দাতব্য সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৭ সালে মুসলিম'দের জন্য সংস্থাটি প্রথম মসজিদ স্থাপন করে। এরপর ইসলামী শিক্ষা প্রসারে একটি মা'দরাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়। পাশাপাশি গেয়ারুলহোস এলাকায় মুসলিম'দের জন্য করবস্থান তৈরি করা হয়।

৭০-এর দশকে ব্রাজিলে প্রথম ইসলামী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। তা শুধু ব্রাজিলে নয়, বরং দক্ষিণ আমেরিকার প্রথম ইসলামী সম্মেলন ছিল। আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় মিসরের ধর্ম ও ওয়াক বি'ষয়ক মন্ত্রণালয় এর আয়োজন করেছিল। এরপর থেকে ব্রাজিলের ইসলাম ও মুসলিম কর্মতৎপরতা বৃ'দ্ধি পাচ্ছে।

বিশি'ষ্ট আলেম ও পাকি'স্তানের সাবেক বিচারক মুফতি তকি উসমানি বলেন, ব্রাজিলে ১০ জনকে ইসলামের দাওয়াত দিলে ৮ জনই দাওয়াত গ্রহণ করেন। তবে দাওয়াতের কাজ চালু থাকলেও বিশ্বের অন্য কিছু অমুসলিম দেশের মতো বিভিন্ন অ'সুবিধা সেখানে আছে।

Facebook Comments
Back to top button