দৈনিক 30 কিমি হেঁটে 15 বছর ধরে পোস্টম্যানের সার্ভিস দিচ্ছেন এই বৃদ্ধ

কেউ একজন বলেছিলেন নিঃশব্দে কাজ করে যাও সাফল্য ঠিক আসবে। ডি সিভান এই কথাটির জীবন্ত উদাহরণ, তিনি একজন পোস্টম্যান যিনি একই প'দ্ধতিতে কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। যদিও তিনি এখন পোস্টম্যানের পদ থেকে অবসর নিয়েছেন কিন্তু তার পুরো সময় কালে তিনি এতটা নীরবতা কঠোর পরিশ্রম করে।

তার কাজটি করেছিলেন যে লোকেরা এখন তার কাজের জয়জয়কার করছে এবং এর জন্য ভারত সরকার তাকে ভারতরত্ন পদ্মশ্রীর মত সম্মান দিচ্ছেন। তামিলনাড়ুর বাসিন্দা সিভান খুব সাধারন পরিবারের বাসিন্দা। তিনি গত 30 বছর ধরে তামিলনাড়ুতে পোস্টম্যান হিসেবে কর্মর'ত ছিলেন।

তিনি তার কর্মস্থলে পৌঁছানোর জন্য অনেক দুর্গম পথ অতিক্রম করেছেন এবং অনেক সততা ও দায়িত্ব নিয়ে তার কার্যক্রম পূর্ণ করেছিলেন। তার পো'ষ্টিং এমন এক দুর্গম জায়গা ছিল যেখানে লোকজনের কাছে পৌঁছানোর জন্য তাকে প্রতিদিন প্রায় 15 কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে যেতে 'হতো এবং এই পথটি জঙ্গল এবং পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে গেছে।

চিঠি দেওয়ার সময় তিনি বন্য প্রাণীদের নিয়ে ভয় পেতেন। যদিও তিনি বহুবার এই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন তবে তিনি কখনো ভয় পাননি।এইভাবে এ কঠিন পথে তিনি মানুষের কাছে তাদের বার্তা পৌঁছে দিতেন। বর্তমানে তিনি তার 30 বছরের কর্মজীবনে থেকে অবসর নিয়েছেন।

তিনি অবসর গ্রহণের সাথে সাথেই লোকেরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে ভারতরত্ন ও পদ্মশ্রী জাতীয় পুরস্কার এর জন্য দাবী করা শুরু করেছে। প্রত্যেকেই তার কাজের প্রশংসা করছেন। আইএসআই অফিসার সুপ্রিয়া শাহো লিখেছেন যে পোস্টম্যান ডি সিভান প্রতিদিন কুনুরের ঘন জঙ্গলপেরিয়ে 15 কিলোমিটার হেঁটে যেতেন এবং তার চিঠিগু'লি লোকেদের কাছে পৌঁছে দিতেন।

এই সময় তিনি হাতি ভাল্লুকের 'হতেন। সেই সময় তাকে পিচ্ছিল পথ ঝর্ণা এবং টানেল গু'লিও পার করতে হয়েছিল। তিনি গত 30 বছর ধরে কাজ করেছেন তবে এখন তিনি অবসর নিয়েছেন। হাজার হাজার মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে নিয়ে লিখে এবং টুইট করছেন।একজন ব্যক্তি লিখেছেন যে,

‘আমি তার সাথে 2018 সালে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছি। তিনি ভারতরত্নের অধিকারী কমপক্ষে তাকে পদ্মশ্রী পুরস্কার দেওয়া উচিত।’এইভাবে আমর'া দেখতে পাচ্ছি যে কোন ব্যক্তি যদি সততা এবং নিষ্ঠার সাথে প্রচুর পরিশ্রম করে তবে একদিন পুরো পৃথিবী তার পক্ষে দাঁড়ায়।

Facebook Comments
Back to top button