ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে করোনায় বাংলাদেশির মৃ’ত্যু

কিডনি সমস্যা ছিল গৃহবধূ শারমিন আক্তার স্মৃ'’তির (৩২)। চিকিৎসা নিতে স্বামীর সঙ্গে গত ২০ মা’র্চ বেনাপোল হয়ে তারা ভা’রতে যান। পরে সেখানে তার করো’’না ধ’রা পড়ে। পরিস্থিতির অবনতি হলে তাকে কলকাতার বর্ধমানে ফরটিস হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার নেয়া হয় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)। শুক্রবার 'বিকালে সেখানে তার মৃ'’ত্যুর হয়। মৃ'’ত শারমিন আক্তার স্মৃ'’তি (৩২) কু'ষ্টিয়ার মঙ্গলবাড়িয়ার মঞ্জুর চিশতীর স্ত্রী।

কু'ষ্টিয়ার স্থানীয় দৈনিক সময়ের কাগজের সম্পাদক ও স্মৃ'’তির মামা নুরুন্নবী বাবু জানান, বর্ধমানে কিডনির চিকিৎসা চলছিল স্মৃ'’তির। সেখানে এক স'প্ত াহ আগে স্মৃ'’তির করো’’না ধ’রা পড়ে। পরিস্থিতির অবনতি হলে তাকে হাসপাতা’লে ভর্তি করা হয়।

বৃহস্পতিবার স্মৃ'’তিকে নেয়া হয় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ)। শুক্রবার 'বিকালে সেখানে তার মৃ'’ত্যু হয়। ম’রদে'হ বিশেষ ব্যবস্থায় দেশে আনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। স্মৃ'’তির ম’রদে'হ বাংলাদেশেই দা'ফন করা হবে।

এদিকে গত ১৮ ডিসেম্বর করো’’নায় স্মৃ'’তির মা শাহানা খাতুনেরও মৃ'’ত্যু হয়। উল্লেখ্য, ভা’রতে বর্তমানে করো’’নায় ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের সংখ্যায় প্রায় প্রতিদিনই হচ্ছে বিশ্ব রেকর্ড। মৃ'’ত্যুর সংখ্যাও ২৪ ঘণ্টায় ছাড়িয়েছে সাড়ে তিন হাজার।

দেশটিতে সবশেষ ছড়িয়েছে বেঙ্গল ভ্যারিয়েন্ট নামে করো’’নার একটি রূপ। এই ভ্যারিয়েন্ট যেন বাংলাদেশে আসতে না পারে, সে জন্য গত ২৬ এপ্রিল থেকে ১৪ দিনের জন্য পণ্য পরিবহন ছাড়া সীমা'ন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

তবে যারা চিকিৎসা’সহ নানা কারণে ভা’রতে গিয়ে আ’ট’কা পড়েছেন, তারা বিশেষ অনুমতি নিয়ে দেশে ফিরতে পারছেন। যদিও তাদের সীমা'ন্তে করো’’না পরীক্ষা করিয়ে সেখানেই ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে।

Facebook Comments
Back to top button