ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আইনি পদক্ষেপ নিতে ইমরান খানের আহ্বান

গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৫তম অধিবেশনের এক ঐতিহাসিক বক্তব্য দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

২৭ মিনিটের বক্তৃতায় পাক প্রধানমন্ত্রী করোনা ভাইরাস, আঞ্চলিক সশস্ত্র লড়াই ও অ’স্ত্র মজুদের প্রতিযোগিতা, মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া সাল্লামকে কটুক্তি করে স্কেচ প্রকাশ বৃদ্ধি, দখলকৃত কাশ্মীরে ভারতের নৃ’শংসতা, স্বাধীন ফিলিস্তিনে ইহুদীবাদী স’ন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের দখল, জলবায়ু ও পরিবেশ এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বড় ধরনের পরিবর্তন আনার মতো গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয়ে আলোচনা করেন।

জাতিসংঘের ওই ভাষণে ইমরান খান বলেন, কাশ্মীরীদের ওপর সামরিক হস্তক্ষেপ, অন্যায্য নাগরিক আইনসহ আরো বিভিন্ন অনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারত সরকার। এমনকি কাশ্মীরীদের নিজস্ব মতামত প্রকাশে ভোটাধিকার ক্ষমতা জোরপূর্বক খর্ব করছে। প্রায় ৭২ বছর ধরে ভারত কাশ্মীরীদের ইচ্ছার বি’রুদ্ধে তাদের স্বাধীন ভূখণ্ড দখল করে রেখেছে।

কাশ্মীরের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা পরিবর্তন করতে জাতিসংঘের সনদ ও জেনেভা কনভেনশন চুক্তির লঙ্ঘন করছে ভারত। মুসলিম অধ্যুষিত কাশ্মীরের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা পরিবর্তন করতে ভারত সরকার তাদের সেনা ও স’ন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা কাশ্মীরীদের হ’ত্যা করে চলেছে,

তাদের স্বায়ত্তশাসন ক্ষমতা বাতিল করে দিয়েছে এবং গত বছরের ৫ আগস্টে বিপুল পরিমাণ সেনা মোতায়েন করে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে কাশ্মীরকে জনবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল।

তিনি বলেন, কাশ্মীর স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রনায়কদের বেছে বেছে হ’ত্যা করা সহ তল্লাশির নাম করে যে সমস্ত স্বাধীনতাকামী কাশ্মীরীদের আ’টক করে নিয়ে যাওয়া হয়, তাদের হ’ত্যা করে গোপনে তাদের লাশ দাফন করে ফেলা হয়।

এমনকি তাদের লাশ আত্মীয়স্বজনদের কাছেও হস্তান্তর করা হয় না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত ভারতের এই নৃ’শংসতার বি’রুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং ভারতের নাগরিক ও সামরিক নেতৃবৃন্দের বি’রুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।

ইমরান খান বলেন, ভারত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দখলকৃত কাশ্মীরে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পরিবর্তনের লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা জাতিসংঘের সনদ ও জেনেভা কনভেনশনে সম্পাদিত চুক্তি অনুযায়ী আইন বি’রুদ্ধ মা’রাত্মক যু’দ্ধাপরাধ।

insaf24